বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৮ ডিসেম্বর ২০১৪

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন (বাপক) একটি জাতীয় পর্যটন সংস্থা (এনটিও)। প্রতিষ্ঠানটি ১৯৭২ সালে মহামান্য রাষ্ট্রপতির ১৪৩
নং আদেশের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৭৩ সালে এর কার্যক্রম শুরুকরে। এটি বেসরকারী বিমান পরিবহন ও পর্যটন
মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান।

একজন চেয়ারম্যান ও তিনজন পরিচালক-এর মাধ্যমে Board of Directors গঠিত। চেয়ারম্যান বোর্ডের সভাপতি, পরিচালকগণ
বোর্ডের সদস্য এবং মহা-ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) বোর্ডের সাচিবিক দায়িত্ব পালন করে থাকেন। প্রধান কার্যালয়ের বিভাগসমূহ যথাঃ
প্রশাসন বিভাগ ; বাণিজ্যিক বিভাগ ; পরিকল্পনা, প্রশিক্ষণ ও পরিসংখ্যান বিভাগ, বিপণন বিভাগ, জনসংযোগ বিভাগ, অর্থ ও
হিসাব বিভাগ, পূর্ত বিভাগ, এষ্টেট বিভাগএবং তথ্য ও যোগাযোগ বিভাগ।

বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন-এর নিয়ন্ত্রণাধীনে National Hotel and Tourism Training Institute (NHTTI), Duty Free
Operations (DFO) সহ হোটেল, মোটেল, কটেজ, রেস্তোরাঁ, পিকনিক স্পট, রেন্ট-এ-কার ও ভ্রমণ ইউনিট সারাদেশে দেশী-বিদেশী
পর্যটকদের সেবা প্রদান করে আসছে।

বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন (বাপক)-এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য :


লক্ষ্য :
বাংলাদেশকে একটি আকর্ষনীয় পর্যটন গন্তব্যের দেশ হিসেবে গড়ে তোলা।

উদ্দেশ্য :
১. বাপক-কে একটি উন্নত উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ হিসাবে গড়ে তোলা যা বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের সুবিধাদি প্রনয়ণে নিয়ন্ত্রিত/সহজতর করবে ;
২. আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন ও অন্যান্য সুবিধাদি গড়ে তোলা এবং তা রক্ষা করা ;
৩. সহজ গমনাগমনের জন্য বাস্তব অবকাঠামো যেমন, সড়কপথ, রেলপথ, বিমানপথ ও নৌপথ তৈরীতে সরকারকে সম্পৃক্ত করা এবং বেসরকারী উদ্যোগকে উৎসাহিত করা ;
৪. পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ;
৫. পর্যটনকদের জন্য ভিসা ও ইমিগ্রেশন পদ্ধতি সহজতর করার উদ্যোগ গ্রহণ ;
৬.কার্যকর কমিউনিটি অংশগ্রহণের মাধ্যম দারিদ্র বান্ধব পর্যটন উৎসাহিত করা ;
৭. আর্থিক স্বচ্ছলতা ও ক্ষমতায়ন করার জন্য নারী জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্তকরণ ;
৮. প্রকৃতি ও নৃতাত্ত্বিক ভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজমকে উনড়বয়ন করা ;
৯.  পর্যটন কার্যক্রমের মাধ্যমে পরিশোধন বিবরণী, নতুন কর্মক্ষেত্র সৃষ্টি, দারিদ্র দূরীকরণ ও সামাজিক সম্পৃতি বৃদ্ধিকরণ ;
১০.  দেশে-বিদেশে পর্যটন উপাদানসমূহের বিপণন বৃদ্ধি করণ ;
১১. পর্যটন শিল্পে মানব সম্পদ উন্নয়ন করা ;
১২.  পর্যটন শিল্পে শক্তিশালী সরকারী-বেসরকারী যৌথ ব্যবস্থাপনা গঠন করা ;
১৩. পর্যটন শিল্পে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানের সাথে নিবিড় সম্পর্কের উনড়বয়ন ও তা রক্ষা করা ;
১৪. পর্যটন খাতে বেসরকারি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করার জন্য বাণিজ্যিক ইউনিটসমূহ বেসরকারিকরণ।


Share with :
Facebook Facebook