বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫

চেয়ারম্যানের দপ্তর থেকে

বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন (সরকারি পর্যটন সংস্থা) বাংলাদেশের পর্যটন উন্নয়নের পথিকৃত। স্বাধীনতার অব্যবহিত পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর সুদূর প্রসারি চিন্তার প্রতিফলন হিসাবে ১৯৭২ সালের নভেম্বর মাসে রাষ্ট্রপতির আদেশ নং-১৪৩ বলে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন প্রতিষ্ঠা করেন। বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ১ জানুয়ারি ১৯৭৩ সাল থেকে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন দেশে পর্যটনকে একটি শিল্প হিসাবে এর বিকাশ, উন্নয়ন এবং পর্যটন আকর্ষণগুলো বিপণনের জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এই সংগঠনটিকে দ্বৈত দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে - একটি হচ্ছে ‘পর্যটন শিল্পের বিকাশ এবং উন্নয়ন’ এবং আরেকটি সারাদেশে ‘পর্যটকদের জন্য সুবিধাদি সৃস্টি এবং তা পরিচালনা’ করা।

বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন-এর প্রধান কাজ হচ্ছে বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন, বিদেশে বংলাদেশের উজ্জ্বল ভাবমূর্তি সৃষ্টি, পর্যটন অবকাঠামোগত উন্নয়ন, পর্যটকদের সেবা প্রদান এবং পর্যটন সম্পদের সুষ্ঠু বিকাশের মাধ্যমে দারিদ্র্য হ্রাস। পাশাপাশি দেশের জিডিপি বৃদ্ধিতে অবদান রাখা। পর্যটকদের সর্বোচ্চ মানের সেবা প্রদানের অভিধা নিয়ে এবং সারা দেশে মানসম্মত পর্যটন সুবিধাদি সৃষ্টির লক্ষ্যে, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন দেশের বিভিন্ন সম্ভাবনাময় স্থানে প্রথমে পর্যটন সুবিধাদি সৃষ্টি করে এবং ব্যক্তিখাতের বিনিয়োগের পথ দেখায়।

বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন দেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে আলোকবর্তিকা হিসাবে সর্বদাই চেষ্টা করে পর্যটকদের মানসম্মত সেবা প্রদান, আন্তর্জাতিকমানের এবং অনুপম পর্যটন সুবিধাদি সৃষ্টি, পযর্টন আকর্ষনের বৈচিত্র্যকরণ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আনা। এখন পর্যন্ত এই প্রতিষ্ঠানটি সারা দেশে পর্যটকদের সেবা প্রদানের জন্য ৪২টি বিভিন্ন প্রকার পর্যটন সুবিধাদি যেমন হোটেল, মোটেল, রেস্তোরাঁ, বার, পিকনিক স্পট, সুইমিং পুল, পর্যটন তথ্য কেন্দ্র ইত্যাদি সৃষ্টি করেছে।

বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন দেশি-বিদেশি যাত্রীদের সুবিধার্থে ১৯৭৯ সাল থেকে দেশের আন্তজার্তিক বিমানবন্দরসমূহে শুল্কমুক্ত বিপণী পরিচালনার মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্নভাবে সেবা প্রদান করে আসছে। শুল্কমুক্ত বিপণীসমূহে অধিকাংশ সামগ্রী বিদেশ থেকে সরাসরি আমদানী করা হয়। ব্যবসায়িক সুখ্যাতির জন্য বিশ্বের সকল বিখ্যাত শুল্কমুক্ত বিপণী সমূহের সাথে আমাদের সৃষ্টিলগ্ন থেকেই সুসম্পর্ক রয়েছে। 

বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন তার সেবা প্রদানের মান উন্নতকরণের লক্ষ্যে যে কোন ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানের অভিনব ধারনা, উপদেশ, সুপারিশ সাদরে গ্রহণ করবে। আমরা আমাদের সকল অভ্যন্তরীণ এবং বিদেশি পর্যটকদের সর্বদাই আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই। আমরা অনুরোধ করছি বেশি বেশি বাংলাদেশ ভ্রমণ করুন এবং আমাদের আতিথিয়েতা নিন।


Share with :